Friday, February 19, 2010

যে কোন সাইটে বাংলা অক্ষর ভাল ভাবে দেখার জন্য ইনস্টল করুন Font Fixer


আমরা বাঙালি। এটা আমাদের জন্য যেমন অহংকারের, তেমনি গর্বের। এই বাংলা ভাষার জন্য আমারই প্রথম জীবন দিয়েছি। কিন্তু এই শ্রুতি মধুর ভাষাটিকে কতটুকু সমৃদ্ধ করতে পেরেছি??? আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি, তাদের কতজন বাংলায় লেখি?? বাংলা ব্লগ সাইট গুলো হয়তো আমাদের বাংলা চর্চা করার একটি ভাল সুযোগ করে দিয়েছে। কিন্তু, সামাজিক যোগাযোগ সাইট গুলোতে আমরা বাংলা চর্চা করছি কি???

ইন্টারনেটে বাংলা লেখার জন্য অনেকেই অভ্র কী-বোর্ড ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু ফেসবুকের মতো বিভিন্ন সাইট গুলোতে বাংলা অক্ষর দেখার যে সমস্যা রয়েছে, তার জন্য অনেকেই বাংলা লেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। আর তাই এই সমস্যা সমাধানের জন্য এসেছে Font Fixer নামে একটি সফ্টওয়ার। যার মাধ্যমে আপনি আপনার কম্পিউটারে বাংলা অক্ষর গুলো আরো চোখ-সহনিয় ভাবে দেখতে পারবেন। এতে করে আপনার বাংলা রেখার আগ্রহ আরো বৃদ্ধি পাবে। সমৃদ্ধ এবং প্রসারিত হবে আমাদের প্রিয় ভাষা বাংলা।
কিভাবে পাবেন?
এই লিংকে গিয়ে আপনি Font Fixer সফ্টওয়ারটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। অতপর সেটি আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করে নিন।
ইনস্টল-এর নিয়ম:
সফ্টওয়ারটিতে ডাবল ক্লিক করুন। তারপর একটি উইনডো আসবে। সেখানে আপনার কম্পিউটারে থাকা বাংলা উইনিকোড এর ফন্ট SolaimanLipi সিলেক্ট করুন। তারপর Fix it-এ চাপ দিন। আপনার কম্পিউটার রিস্টার দিন। এরপর আপনার ব্রাউজারে যান।
সেখানে Tools থেকে Option-এ ঢুকুন।
Content –এ গিয়ে Advance এ যান।
তারপর For Font –Bangle সিলেক্ট করুন এবং Scan-Serif SolaimanLipi ফন্টটি সিলেক্ট করুন।
এরপর নিচে Default Unicode-8 সিলেক্ট করে OK দিয়ে বেড়িয়ে আসুন। দেখবেন বাংলা ফন্ট গুলো ইংরেজি ফন্টের মতো বড় দেখাচ্ছে।

ড্রাইভার ডাউনলোড ভান্ডার এখানে!


শুধুমাত্র ড্রাইভার সফটওয়ারের আপনার পুরনো একটি ভাল স্কেনার ব্যবহার করতে পারছেন না। একটি পি-৩ কম্পিউটারের সাউন্ড কার্ড কাজ করছে না- শুধু মাত্র ড্রাইভার সফটওয়্যারের অভাবে। আমার মনে হয় এমন কোন কম্পিউটার ইউজার নেই-যারা এই সমস্যায় পড়েনি।
এখন থেকে কোন টেনশন নেই। ড্রাইভার সফটওয়ার নেই তো কি হয়েছে? আপনার অথবা আপনার বন্ধুর যদি ইন্টারনেট কানেকশন থাকে তবে এই ঠিকানা থেকে  ডাউনলোড করতে পারবেন। এখানে পাবেন মাদারবোর্ড, স্কেনার, সাউন্ড কার্ড, যে কোন অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার। এককথায় আপনার চাহিদার অনেকাংশই পূরন করতে পারবেন।

Wednesday, February 17, 2010

কিভাবে ওয়ার্ড ফাইল পিডিএফ এ কনভার্ট করবেন?


আমাদের অধিকাংশই ওয়ার্ড ফাইল থেকে পিডিএফ কনভার্ট করতে এডোবি এক্রোবাট রাইটার প্রোগ্রামটি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এই প্রোগ্রামটি সাইজে যেমন বড়, কম্পিউটারে রিসোর্সও তেমন খায়। আর একটু পুরোনো কনফিগারেশনের কম্পিউটার হলে তো কথায় নেই, এক এক্রোবাট রাইটার ওপেন করলে পুরো কম্পিউটারটাই স্লো হয়ে যায়। তখন  অন্য কোন কাজ আর করা যায় না। এক্রোবাট রাইটারের কাজই যদি আমি মাত্র ৯৩৩ কেবি একটা এড-ইনস দিয়ে করতে পারি তাহলে কেনই শুধু শুধু এমন ভারি একটা সফটওয়ার ব্যবহার করতে যাবো। সম্প্রতি আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে ওয়ার্ড থেকে পিডিএফ কনভার্ট করার একটা প্রোগ্রাম ম্যানেজ করেছি। এটির সাইজ মাত্র ৯৩৩ কেবি আর ইনস্টলের পর এটি আপনার পিসিতে যায়গা নিবে মাত্র ১৩৩ কেবি। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? আসুন দেখি কিভাবে এটি ব্যবহার করা যায়
. প্রথমে এড-ইনসটি এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন এবং জিপ ফাইলটি আনজিপ করুন।
. এবার এড-ইনসটি ইনস্টল করুন। এখানে একটা কথা বলে রাখি, এটি মুলত মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭ এর একটি এড-ইনস। তাই আপনার অফিসটি ২০০৭ ভার্সন হওয়া লাগবে।
. আপনি যে ওয়ার্ড ফাইলটি পিডিএফ কনভার্ট করতে চাচ্ছেন সেটি ওপেন করুন। Office Button> Save As ক্লিক করলে PDF or XPS নামে নতুন একটি ফাইল সেভিংস option দেখতে পাবেন। PDF or XPS ক্লিক করুন
PDF Converter ad-ins
.কোথায় ফাইলটি সেভ করতে চান সেটি উল্লেখ করে Publish ক্লিক করলেই মুহুর্তেই আপনার ওয়ার্ড ফাইলটি পিডিএফ রুপান্তর হয়ে যাবে।
. এখন আপনি যেকোন পিডিএফ রিডার দিয়ে ওপেন করে দেখুন ফাইলটি আপনার কাংখিত মতো পিডিএফ রুপান্তর হয়েছে কিনা

মাত্র ২ মেগাবাইটের একটি সফটওয়্যার দিয়ে বাড়িয়ে নিন পিসির গতি,ডিফ্রাগমেন্টও হবে সহজে


পিসির পারফরম্যান্স কমে যাওয়া বা স্লো হয়ে যাওয়া একটি কমন সমস্যা আমি আজকে যে সফটওয়্যারের কথা বলবো সেটি আপনার পিসির পারফরম্যান্স বাড়াতে যথেষ্ট সহায়ক হবে আর সফটওয়্যারটির সাইজও খুব বড় নয়।মাত্র মেগাবাইটের এই সফটওয়্যারটি দিয়ে আপনি পিসির স্পীড বাড়নো ছাড়াও আরো যে সুবিধাগুলো পাবেন তা হলো-


-ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করতে পারবেন দ্রুত
-Ram এর কতটুকু জায়গা ব্যবহার হয়েছে আর কতটুকু খালি আছে জানতে পারবেন
-ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে তৈরী হওয়া অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলতে পারবেন
এখন আপনিই ভেবে দেখুন সফটওয়্যারটি আপনার কাজে লাগবে কি না।আমার পিসিতে তো ভালোই কাজে দিচ্ছে। Speeditup নামের এই সফটওয়্যারটি এখান থেকে  নামিয়ে নিন

ফায়ারফক্সের গতি বাড়ান খুব সহজেই!


বাংলাদেশের স্লো ইন্টারনেটের কারনে আমরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি। এজন্য আমরা অনেকেই Opera ব্রাউজারের Turbo ব্যবহার করে থাকি। তবে অনেকেই হয়তো খেয়াল করেননা যে, Opera ব্রাউজারের Turbo ব্যবহারের ফলে যারা গিগাবাইট বা গিগাবাইট এর মত লিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তারা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়। কারন Turbo ব্যবহারের ফলে ইন্টারনেট খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়
কিন্তু আমরা চাইলে কোন ঝামেলা অ্যাডিশনাল সফটওয়্যার ছাড়া খুব সহজেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারি। এজন্য প্রয়োজন শুধুমাত্র Mozilla Firefox ইন্টারনেট ব্রাউজার এবং মাইক্রোসফট উইন্ডোজের যে কোন অপারেটিং সিস্টেম। তবে ফায়ারফক্সের সর্বশেষ ভার্সনগুলো থাকলে ভাল হয়
পদক্ষেপ সমূহঃ-
. প্রথমে Mozilla Firefox ব্রাউজারটি Open করুন
. এবার Address Bar - যেয়ে about:config লিখে Enter করুন
. এরপর একটি Warning Messsage দেখাবে। সেখানে I’ll be careful - দিয়ে Enter করুন
. এরপর about:config -এর Page টি আসবে। সেখানে Filter Pipelining লিখে Search দিন অথবা
Pipelining
এর অপশনগুলো খুজে নিন
. এবার সেখান থেকে network.http.pipelining -এর Value পরিবর্তন করে false থেকে true করে দিন
এবং network.http.pipelining.maxrequests -এর Value পরিবর্তন করে 4 থেকে 10 করে দিন
. লক্ষ্য রাখতে হবে যে network.http.pipelining.maxrequests -এর Value কখনোই 10 এর
বেশি দেয়া যাবেনা। সেক্ষেত্রে ফায়ারফক্স ফ্রিজ হবার সম্ভাবনা থাকে
. এবার ফায়ারফক্স এর File যেয়ে Exit দিন
. তারপর আপনার ইন্টারনেট কানেকশন ম্যানেজার - যান
. সেখান থেকে আপনার default connection অর্থাত আপনি যে connection টি ব্যবহার করেন, তার Properties যান
১০. সেখানে প্রথমেই থাকা General ট্যাব এর Configure - ক্লিক করুন
১১. এবার Maximum speed (bps) পরিবর্তন করে সর্বোচ্চ মান অর্থাত 921600 - দিয়ে OK দিয়ে
বেড়িয়ে আসুন
১২. তারপর আপনার কম্পিউটারটি Restart করুন

এবার আপনি নিজেই Mozilla Firefox এর সাহায্যে ইন্টারনেটে ব্রাউজ করে দেখুন গতি কতটা বেড়েছে!

পৃষ্ঠাসমূহ

Abdur Razzaque. Powered by Blogger.

Friday, February 19, 2010

যে কোন সাইটে বাংলা অক্ষর ভাল ভাবে দেখার জন্য ইনস্টল করুন Font Fixer


আমরা বাঙালি। এটা আমাদের জন্য যেমন অহংকারের, তেমনি গর্বের। এই বাংলা ভাষার জন্য আমারই প্রথম জীবন দিয়েছি। কিন্তু এই শ্রুতি মধুর ভাষাটিকে কতটুকু সমৃদ্ধ করতে পেরেছি??? আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি, তাদের কতজন বাংলায় লেখি?? বাংলা ব্লগ সাইট গুলো হয়তো আমাদের বাংলা চর্চা করার একটি ভাল সুযোগ করে দিয়েছে। কিন্তু, সামাজিক যোগাযোগ সাইট গুলোতে আমরা বাংলা চর্চা করছি কি???

ইন্টারনেটে বাংলা লেখার জন্য অনেকেই অভ্র কী-বোর্ড ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু ফেসবুকের মতো বিভিন্ন সাইট গুলোতে বাংলা অক্ষর দেখার যে সমস্যা রয়েছে, তার জন্য অনেকেই বাংলা লেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। আর তাই এই সমস্যা সমাধানের জন্য এসেছে Font Fixer নামে একটি সফ্টওয়ার। যার মাধ্যমে আপনি আপনার কম্পিউটারে বাংলা অক্ষর গুলো আরো চোখ-সহনিয় ভাবে দেখতে পারবেন। এতে করে আপনার বাংলা রেখার আগ্রহ আরো বৃদ্ধি পাবে। সমৃদ্ধ এবং প্রসারিত হবে আমাদের প্রিয় ভাষা বাংলা।
কিভাবে পাবেন?
এই লিংকে গিয়ে আপনি Font Fixer সফ্টওয়ারটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। অতপর সেটি আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করে নিন।
ইনস্টল-এর নিয়ম:
সফ্টওয়ারটিতে ডাবল ক্লিক করুন। তারপর একটি উইনডো আসবে। সেখানে আপনার কম্পিউটারে থাকা বাংলা উইনিকোড এর ফন্ট SolaimanLipi সিলেক্ট করুন। তারপর Fix it-এ চাপ দিন। আপনার কম্পিউটার রিস্টার দিন। এরপর আপনার ব্রাউজারে যান।
সেখানে Tools থেকে Option-এ ঢুকুন।
Content –এ গিয়ে Advance এ যান।
তারপর For Font –Bangle সিলেক্ট করুন এবং Scan-Serif SolaimanLipi ফন্টটি সিলেক্ট করুন।
এরপর নিচে Default Unicode-8 সিলেক্ট করে OK দিয়ে বেড়িয়ে আসুন। দেখবেন বাংলা ফন্ট গুলো ইংরেজি ফন্টের মতো বড় দেখাচ্ছে।

ড্রাইভার ডাউনলোড ভান্ডার এখানে!


শুধুমাত্র ড্রাইভার সফটওয়ারের আপনার পুরনো একটি ভাল স্কেনার ব্যবহার করতে পারছেন না। একটি পি-৩ কম্পিউটারের সাউন্ড কার্ড কাজ করছে না- শুধু মাত্র ড্রাইভার সফটওয়্যারের অভাবে। আমার মনে হয় এমন কোন কম্পিউটার ইউজার নেই-যারা এই সমস্যায় পড়েনি।
এখন থেকে কোন টেনশন নেই। ড্রাইভার সফটওয়ার নেই তো কি হয়েছে? আপনার অথবা আপনার বন্ধুর যদি ইন্টারনেট কানেকশন থাকে তবে এই ঠিকানা থেকে  ডাউনলোড করতে পারবেন। এখানে পাবেন মাদারবোর্ড, স্কেনার, সাউন্ড কার্ড, যে কোন অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার। এককথায় আপনার চাহিদার অনেকাংশই পূরন করতে পারবেন।

Wednesday, February 17, 2010

কিভাবে ওয়ার্ড ফাইল পিডিএফ এ কনভার্ট করবেন?


আমাদের অধিকাংশই ওয়ার্ড ফাইল থেকে পিডিএফ কনভার্ট করতে এডোবি এক্রোবাট রাইটার প্রোগ্রামটি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এই প্রোগ্রামটি সাইজে যেমন বড়, কম্পিউটারে রিসোর্সও তেমন খায়। আর একটু পুরোনো কনফিগারেশনের কম্পিউটার হলে তো কথায় নেই, এক এক্রোবাট রাইটার ওপেন করলে পুরো কম্পিউটারটাই স্লো হয়ে যায়। তখন  অন্য কোন কাজ আর করা যায় না। এক্রোবাট রাইটারের কাজই যদি আমি মাত্র ৯৩৩ কেবি একটা এড-ইনস দিয়ে করতে পারি তাহলে কেনই শুধু শুধু এমন ভারি একটা সফটওয়ার ব্যবহার করতে যাবো। সম্প্রতি আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে ওয়ার্ড থেকে পিডিএফ কনভার্ট করার একটা প্রোগ্রাম ম্যানেজ করেছি। এটির সাইজ মাত্র ৯৩৩ কেবি আর ইনস্টলের পর এটি আপনার পিসিতে যায়গা নিবে মাত্র ১৩৩ কেবি। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? আসুন দেখি কিভাবে এটি ব্যবহার করা যায়
. প্রথমে এড-ইনসটি এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন এবং জিপ ফাইলটি আনজিপ করুন।
. এবার এড-ইনসটি ইনস্টল করুন। এখানে একটা কথা বলে রাখি, এটি মুলত মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭ এর একটি এড-ইনস। তাই আপনার অফিসটি ২০০৭ ভার্সন হওয়া লাগবে।
. আপনি যে ওয়ার্ড ফাইলটি পিডিএফ কনভার্ট করতে চাচ্ছেন সেটি ওপেন করুন। Office Button> Save As ক্লিক করলে PDF or XPS নামে নতুন একটি ফাইল সেভিংস option দেখতে পাবেন। PDF or XPS ক্লিক করুন
PDF Converter ad-ins
.কোথায় ফাইলটি সেভ করতে চান সেটি উল্লেখ করে Publish ক্লিক করলেই মুহুর্তেই আপনার ওয়ার্ড ফাইলটি পিডিএফ রুপান্তর হয়ে যাবে।
. এখন আপনি যেকোন পিডিএফ রিডার দিয়ে ওপেন করে দেখুন ফাইলটি আপনার কাংখিত মতো পিডিএফ রুপান্তর হয়েছে কিনা

মাত্র ২ মেগাবাইটের একটি সফটওয়্যার দিয়ে বাড়িয়ে নিন পিসির গতি,ডিফ্রাগমেন্টও হবে সহজে


পিসির পারফরম্যান্স কমে যাওয়া বা স্লো হয়ে যাওয়া একটি কমন সমস্যা আমি আজকে যে সফটওয়্যারের কথা বলবো সেটি আপনার পিসির পারফরম্যান্স বাড়াতে যথেষ্ট সহায়ক হবে আর সফটওয়্যারটির সাইজও খুব বড় নয়।মাত্র মেগাবাইটের এই সফটওয়্যারটি দিয়ে আপনি পিসির স্পীড বাড়নো ছাড়াও আরো যে সুবিধাগুলো পাবেন তা হলো-


-ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করতে পারবেন দ্রুত
-Ram এর কতটুকু জায়গা ব্যবহার হয়েছে আর কতটুকু খালি আছে জানতে পারবেন
-ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে তৈরী হওয়া অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলতে পারবেন
এখন আপনিই ভেবে দেখুন সফটওয়্যারটি আপনার কাজে লাগবে কি না।আমার পিসিতে তো ভালোই কাজে দিচ্ছে। Speeditup নামের এই সফটওয়্যারটি এখান থেকে  নামিয়ে নিন

ফায়ারফক্সের গতি বাড়ান খুব সহজেই!


বাংলাদেশের স্লো ইন্টারনেটের কারনে আমরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি। এজন্য আমরা অনেকেই Opera ব্রাউজারের Turbo ব্যবহার করে থাকি। তবে অনেকেই হয়তো খেয়াল করেননা যে, Opera ব্রাউজারের Turbo ব্যবহারের ফলে যারা গিগাবাইট বা গিগাবাইট এর মত লিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তারা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়। কারন Turbo ব্যবহারের ফলে ইন্টারনেট খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়
কিন্তু আমরা চাইলে কোন ঝামেলা অ্যাডিশনাল সফটওয়্যার ছাড়া খুব সহজেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারি। এজন্য প্রয়োজন শুধুমাত্র Mozilla Firefox ইন্টারনেট ব্রাউজার এবং মাইক্রোসফট উইন্ডোজের যে কোন অপারেটিং সিস্টেম। তবে ফায়ারফক্সের সর্বশেষ ভার্সনগুলো থাকলে ভাল হয়
পদক্ষেপ সমূহঃ-
. প্রথমে Mozilla Firefox ব্রাউজারটি Open করুন
. এবার Address Bar - যেয়ে about:config লিখে Enter করুন
. এরপর একটি Warning Messsage দেখাবে। সেখানে I’ll be careful - দিয়ে Enter করুন
. এরপর about:config -এর Page টি আসবে। সেখানে Filter Pipelining লিখে Search দিন অথবা
Pipelining
এর অপশনগুলো খুজে নিন
. এবার সেখান থেকে network.http.pipelining -এর Value পরিবর্তন করে false থেকে true করে দিন
এবং network.http.pipelining.maxrequests -এর Value পরিবর্তন করে 4 থেকে 10 করে দিন
. লক্ষ্য রাখতে হবে যে network.http.pipelining.maxrequests -এর Value কখনোই 10 এর
বেশি দেয়া যাবেনা। সেক্ষেত্রে ফায়ারফক্স ফ্রিজ হবার সম্ভাবনা থাকে
. এবার ফায়ারফক্স এর File যেয়ে Exit দিন
. তারপর আপনার ইন্টারনেট কানেকশন ম্যানেজার - যান
. সেখান থেকে আপনার default connection অর্থাত আপনি যে connection টি ব্যবহার করেন, তার Properties যান
১০. সেখানে প্রথমেই থাকা General ট্যাব এর Configure - ক্লিক করুন
১১. এবার Maximum speed (bps) পরিবর্তন করে সর্বোচ্চ মান অর্থাত 921600 - দিয়ে OK দিয়ে
বেড়িয়ে আসুন
১২. তারপর আপনার কম্পিউটারটি Restart করুন

এবার আপনি নিজেই Mozilla Firefox এর সাহায্যে ইন্টারনেটে ব্রাউজ করে দেখুন গতি কতটা বেড়েছে!

About This Blog

My Blogs

Blog Archive

Followers

Web hosting for webmasters